ওপারে ভালো থাকবেন নেতা
ওপারে ভালো থাকবেন নেতা।
বঙ্গবন্ধুর সাথে দেখা হলে বলবেন নির্বাচন সুস্থ্য, সবল, সতেজ হয়েছে।
ঘরে ঘরে মামলা নামক চাকুরি, ১৪ কোটি মোবাইল ও ব্লাউজ দেয়ার বিষয়টিও তুলে ধরবেন।
.
আমরা একজন মুসলমানের মৃত্যুতে "ইন্নালিল্লাহ" পড়ার শিক্ষা পাই ইসলাম থেকে।
কিন্তু আজ কোন কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর "আল-হামদুলিল্লাহ" বলা হয়।
একটু চিন্তা করে দেখুন তো !
কেন আল-হামদুলিল্লাহ পড়া হয়।
একটা মুসলমান নামধারী ব্যক্তি তার রাজনীতি, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, কর্মকান্ডে ইসলাম বিরোধী এমন প্রভাব ও মনোভাব প্রকাশ করেন যে, যা-রীতিমত কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী।
.
মুসলমান বলে দাবী করার মতো কোন মৌলিক কাজ ঐ ব্যক্তি করে যেতে পারেনা। কয়েকটা মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানায় অনুদান দিয়ে আর মাঝেমধ্যে জানাজা, জুমআ আদায় ও টুপি -পাঞ্জাবি পড়াকেই এরা "ইসলাম" মনে করে।
ধর্মনিরপেক্ষ কুফুরী মতবাদের রাজনীতি করেও নিজেকে অনেক সময় ধার্মিক পরিচয় দেয়। আমি হিন্দুও নই মুসলিমও নই --এমন কথা যে বলে, তাকে আপনি কি বলবেন?
.
এখন এসব লোকদের ইসলাম বিরোধী কার্য্যকলাপে অতিষ্ট হয়ে ক্ষোভ, ঘৃণার সাথে তাদের মৃত্যুর পর মানুষ আল-হামদুলিল্লাহ বলে।
প্রকৃতপক্ষে আমাদের ইন্নালিল্লাহ, আল-হামদুলিল্লাহ বলা তাদের কোন ক্ষতি-উপকার কোনটাই সাধিত হবেনা। কারন সে তার গন্তব্যস্থলে পৌছে গেছে। তার কর্মের ফলাফল পাওয়ার জায়গায সে অবস্থান করছে।
.
তবে আমাদের উচিত এমন কাজকর্ম করে যাওয়া--যাতে করে আমার মৃত্যুর পর লোকজন খুশি না হয়ে কেঁদে উঠে। তাদের মুখ থেকে ইন্নালিল্লাহ বা দোয়া বের হয়।
মনে রাখা দরকার,
"এমন জীবন তুমি করিবে গঠন,
মরনে হাঁসিবে তুমি কাঁদিবে ভূবন।"
আমরা একজন মুসলমানের মৃত্যুতে "ইন্নালিল্লাহ" পড়ার শিক্ষা পাই ইসলাম থেকে।
কিন্তু আজ কোন কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর "আল-হামদুলিল্লাহ" বলা হয়।
একটু চিন্তা করে দেখুন তো !
কেন আল-হামদুলিল্লাহ পড়া হয়।
একটা মুসলমান নামধারী ব্যক্তি তার রাজনীতি, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, কর্মকান্ডে ইসলাম বিরোধী এমন প্রভাব ও মনোভাব প্রকাশ করেন যে, যা-রীতিমত কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী।
.
মুসলমান বলে দাবী করার মতো কোন মৌলিক কাজ ঐ ব্যক্তি করে যেতে পারেনা। কয়েকটা মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানায় অনুদান দিয়ে আর মাঝেমধ্যে জানাজা, জুমআ আদায় ও টুপি -পাঞ্জাবি পড়াকেই এরা "ইসলাম" মনে করে।
ধর্মনিরপেক্ষ কুফুরী মতবাদের রাজনীতি করেও নিজেকে অনেক সময় ধার্মিক পরিচয় দেয়। আমি হিন্দুও নই মুসলিমও নই --এমন কথা যে বলে, তাকে আপনি কি বলবেন?
.
এখন এসব লোকদের ইসলাম বিরোধী কার্য্যকলাপে অতিষ্ট হয়ে ক্ষোভ, ঘৃণার সাথে তাদের মৃত্যুর পর মানুষ আল-হামদুলিল্লাহ বলে।
প্রকৃতপক্ষে আমাদের ইন্নালিল্লাহ, আল-হামদুলিল্লাহ বলা তাদের কোন ক্ষতি-উপকার কোনটাই সাধিত হবেনা। কারন সে তার গন্তব্যস্থলে পৌছে গেছে। তার কর্মের ফলাফল পাওয়ার জায়গায সে অবস্থান করছে।
.
তবে আমাদের উচিত এমন কাজকর্ম করে যাওয়া--যাতে করে আমার মৃত্যুর পর লোকজন খুশি না হয়ে কেঁদে উঠে। তাদের মুখ থেকে ইন্নালিল্লাহ বা দোয়া বের হয়।
মনে রাখা দরকার,
"এমন জীবন তুমি করিবে গঠন,
মরনে হাঁসিবে তুমি কাঁদিবে ভূবন।"
No comments