একটা যুবকের জীবন ধ্বংস অসৎ সঙ্গে. এস. রায়হান !
একটা যুবকের জীবন ধ্বংস অসৎ সঙ্গে.
======================
আমরা সকলে মানুষ সামাজিক জীব, আমরা কখনো একা একা বাস করতে পারিনা।
আমাদের জীবন পচলার পথে একজন সৎ / ভালো বন্ধু প্রয়োজন হয়। আর এই বন্ধু
হিসেবে কাওকে বেছেনিতে হয়, তখন আমাদের সতর্কতা অবলম্বন করতেই হবে। যুদি
আমরা আমাদের বন্ধু/বান্ধব বেছেনিতে কোনরকম ভাবে ভুল হয়ে যায় তাহলে
চীরকাল তার জন্য নিজেকে অপরাধী ভাবতে হবে।
কেননা এই বন্ধুর কাজ-কর্ম সবকিছুই নিজেকে প্রভাবিত করে।
জীবনকে সার্থক ও আনন্দময় করতে হলে একটা সৎ মানুষের সংস্পর্শ প্রয়োজন।
কেননা, সৎ বন্ধুর সাথে মিশলে চরিএ আলোকিত হয় আর অসৎ বন্ধুর সাথে চললে
তা কুলষিত হয়।
জীবনে সফলতা অর্জন করতে হলে অনেক কস্টে জুলুম বাধাবিপওির মোকাবিলা করতে
হয়। সৎ মানুষের আদর্শে লালিত হয়ে এ সকল বাধাবিপত্তি পার হয়া সম্ভব।
আর সবচাইতে বড় কথা হচ্ছে, অসৎ/ তথা খারাপ মানুষের দেখানো পথে চললে
আপনাকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে।
একটা মানুষ যখন সবর্দা একটি কাজ দেখেই যাবে তখন সে ঐ কাজের দিকে অগ্রগামী হবে।
আর একজন মানুষ যখন অনেকদিন যাবত একটি কাজ করবে তখন তার মনোবল ঐ দিকে লেগে থাকবে।
আর বন্ধুত্ব হলো আয়না ন্যায়।
যখন আমার আপনার খুব কাছের লোকটি সর্বদা একটা খারাপ কাজ করছে তখন আমারো
মন চাইবে, তা করার জন্য।
একজন ছেলে প্রথম যখন সিগারেট খাবে তখন ধরে নিবেন সে কোনো খারাপ বন্ধুদের
সাথে চলাফেরা করতেছে না হলে কোনো খারাপ কাজে লিপ্ত হচ্ছে।
ছেলেরা প্রথম সিগারেট দিয়ে মাদক জগতে পদার্পণ করে।
যে সিগারেট খাবে কয়েকদিন পর শুনবেন সে গাজা খাচ্ছে।
যখন সে গাজা খেতে শুরু করলো তার কয়েকদিন পর শুনবেন সে মদ খাচ্ছে।
তার পর সে একে একে ফেনছিডিল ইয়াবা,হিরুইন সব পান করবে।
এইসব থেকে বাঁচার জন্য ভালো বন্ধুবান্ধন নির্বাচন করা উচিত সবাইকে।
একটি ছেলে মেয়েকে এগুলো থেকে বাঁচাতে তার পরিবার সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন
করতে পারে।
আর এগুলো থেকে বাঁচাতে প্রত্যেক মা বাবার উচিৎ তার ছেলে মেয়েকে ধর্মীয়
জ্ঞানে পরিপূর্ণ করা।
যেসব ছেলেমেয়ে নিয়মিত অ্যালকোহলের নেশা করে তাদের মধ্যে আচার-আচরণের
অস্বাভাবিকতা বা অসংলগ্নতা দেখা যায়। তারা কিন্তু অ্যালকোহলের জন্য এই
আচার ব্যবহারের অস্বাভাবিকতাকে ‘অস্বীকার’ করে থাকে। অস্বীকার করাটাই
একটা বিশেষ মানসিকতা, যা নেশা করার জন্য ধীরে ধীরে গভীরে তৈরি হয়।
মদ খেয়ে বা মদের নেশায় অস্বাভাবিক আচার-আচরণ যাকে সোজা কথায় ‘মাতলামি’
বলা হয়, কেউই সহ্য করতে চান না। যারা অ্যালকোহল খায় তাদের প্রায় ২০% এর
অপকারিতার শিকার হয়, তারা নিজেদের সংযত করতে পারে না, অ্যালকোহলের
পরিমাণ ক্রমশ বাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত বিপদ ডেকে আনে। সুতরাং মদ বা অ্যালকোহল
যে খায় তাকে ‘দুষ্ট স্বভাবের মানুষ’ না মনে করে ‘অসুস্থ’ ভাবলে
সহানুভূতির সঙ্গে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়।
‘আমি মদ খাই, মদ আমাকে খায় না’ এই মনোভাবই অ্যালকোহলের নেশাকে বাড়িয়ে দেয়,
এলাকার যে ছেলেটি কখনো খারাপ কাজ বা নেশা করে নি,
আজকে সে এখন নাম কড়া নেশাখোর আর খারাপ কাজে লিপ্ত। যে ছেলেটি সিগারেটে
থাকা নিকোটিনের ধোঁয়া সহ্য করতে পারতো না,
আজ সে সেই নিকোটিন তার চলার পথের সঙ্গী।
আর আজ সমাজে আমরা দেখতে পাই,
★ ছেলেটা ভালো ছিল, কিন্তু এখন রোজ সিগারেট খায়।
★ ছেলেটা একদম নষ্ট হয়ে গেছে, রোজ মারপিট আর নেশা করে।
★ এই ছেলে ছোট থেকে অনেক সম্মান করতো, কিন্তু এখন সামনে বসে সিগারেট ধরায়।
★ ছেলেটা খারাপ হবে কখনোই ভাবি নি।…. ইত্যাদি।
======================
এস. রায়হান
![]() |
| Add caption |
আমরা সকলে মানুষ সামাজিক জীব, আমরা কখনো একা একা বাস করতে পারিনা।
আমাদের জীবন পচলার পথে একজন সৎ / ভালো বন্ধু প্রয়োজন হয়। আর এই বন্ধু
হিসেবে কাওকে বেছেনিতে হয়, তখন আমাদের সতর্কতা অবলম্বন করতেই হবে। যুদি
আমরা আমাদের বন্ধু/বান্ধব বেছেনিতে কোনরকম ভাবে ভুল হয়ে যায় তাহলে
চীরকাল তার জন্য নিজেকে অপরাধী ভাবতে হবে।
কেননা এই বন্ধুর কাজ-কর্ম সবকিছুই নিজেকে প্রভাবিত করে।
জীবনকে সার্থক ও আনন্দময় করতে হলে একটা সৎ মানুষের সংস্পর্শ প্রয়োজন।
কেননা, সৎ বন্ধুর সাথে মিশলে চরিএ আলোকিত হয় আর অসৎ বন্ধুর সাথে চললে
তা কুলষিত হয়।
জীবনে সফলতা অর্জন করতে হলে অনেক কস্টে জুলুম বাধাবিপওির মোকাবিলা করতে
হয়। সৎ মানুষের আদর্শে লালিত হয়ে এ সকল বাধাবিপত্তি পার হয়া সম্ভব।
আর সবচাইতে বড় কথা হচ্ছে, অসৎ/ তথা খারাপ মানুষের দেখানো পথে চললে
আপনাকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে।
একটা মানুষ যখন সবর্দা একটি কাজ দেখেই যাবে তখন সে ঐ কাজের দিকে অগ্রগামী হবে।
আর একজন মানুষ যখন অনেকদিন যাবত একটি কাজ করবে তখন তার মনোবল ঐ দিকে লেগে থাকবে।
আর বন্ধুত্ব হলো আয়না ন্যায়।
যখন আমার আপনার খুব কাছের লোকটি সর্বদা একটা খারাপ কাজ করছে তখন আমারো
মন চাইবে, তা করার জন্য।
একজন ছেলে প্রথম যখন সিগারেট খাবে তখন ধরে নিবেন সে কোনো খারাপ বন্ধুদের
সাথে চলাফেরা করতেছে না হলে কোনো খারাপ কাজে লিপ্ত হচ্ছে।
ছেলেরা প্রথম সিগারেট দিয়ে মাদক জগতে পদার্পণ করে।
যে সিগারেট খাবে কয়েকদিন পর শুনবেন সে গাজা খাচ্ছে।
যখন সে গাজা খেতে শুরু করলো তার কয়েকদিন পর শুনবেন সে মদ খাচ্ছে।
তার পর সে একে একে ফেনছিডিল ইয়াবা,হিরুইন সব পান করবে।
এইসব থেকে বাঁচার জন্য ভালো বন্ধুবান্ধন নির্বাচন করা উচিত সবাইকে।
একটি ছেলে মেয়েকে এগুলো থেকে বাঁচাতে তার পরিবার সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন
করতে পারে।
আর এগুলো থেকে বাঁচাতে প্রত্যেক মা বাবার উচিৎ তার ছেলে মেয়েকে ধর্মীয়
জ্ঞানে পরিপূর্ণ করা।
যেসব ছেলেমেয়ে নিয়মিত অ্যালকোহলের নেশা করে তাদের মধ্যে আচার-আচরণের
অস্বাভাবিকতা বা অসংলগ্নতা দেখা যায়। তারা কিন্তু অ্যালকোহলের জন্য এই
আচার ব্যবহারের অস্বাভাবিকতাকে ‘অস্বীকার’ করে থাকে। অস্বীকার করাটাই
একটা বিশেষ মানসিকতা, যা নেশা করার জন্য ধীরে ধীরে গভীরে তৈরি হয়।
মদ খেয়ে বা মদের নেশায় অস্বাভাবিক আচার-আচরণ যাকে সোজা কথায় ‘মাতলামি’
বলা হয়, কেউই সহ্য করতে চান না। যারা অ্যালকোহল খায় তাদের প্রায় ২০% এর
অপকারিতার শিকার হয়, তারা নিজেদের সংযত করতে পারে না, অ্যালকোহলের
পরিমাণ ক্রমশ বাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত বিপদ ডেকে আনে। সুতরাং মদ বা অ্যালকোহল
যে খায় তাকে ‘দুষ্ট স্বভাবের মানুষ’ না মনে করে ‘অসুস্থ’ ভাবলে
সহানুভূতির সঙ্গে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়।
‘আমি মদ খাই, মদ আমাকে খায় না’ এই মনোভাবই অ্যালকোহলের নেশাকে বাড়িয়ে দেয়,
এলাকার যে ছেলেটি কখনো খারাপ কাজ বা নেশা করে নি,
আজকে সে এখন নাম কড়া নেশাখোর আর খারাপ কাজে লিপ্ত। যে ছেলেটি সিগারেটে
থাকা নিকোটিনের ধোঁয়া সহ্য করতে পারতো না,
আজ সে সেই নিকোটিন তার চলার পথের সঙ্গী।
আর আজ সমাজে আমরা দেখতে পাই,
★ ছেলেটা ভালো ছিল, কিন্তু এখন রোজ সিগারেট খায়।
★ ছেলেটা একদম নষ্ট হয়ে গেছে, রোজ মারপিট আর নেশা করে।
★ এই ছেলে ছোট থেকে অনেক সম্মান করতো, কিন্তু এখন সামনে বসে সিগারেট ধরায়।
★ ছেলেটা খারাপ হবে কখনোই ভাবি নি।…. ইত্যাদি।



No comments