জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল কেন !
জামায়াতের_ নিবন্ধন_বাতিল_কেন !
------------------------------
---------------------
সবার মনে রাখা উচিত, জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল হওয়ার মূল কারন,
"সকল ক্ষমতার উৎস আল্লাহ"--জামায়াতের সংবিধানে এই কথা লিপিবদ্ধ করার কারনে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে।
.
যেই কারনে সকল ইসলামী দলের নিবন্ধন বাতিল করার রাস্তাও তৈরি হলো।
এইবার পান চিবাইয়া ঠোট লাল করা হুজুররা বেশি করে জামায়াতের বদনামীটা আরো বাড়াইয়া দিন।
.
তবে আরো মনে রাখবেন, যেই দেশে জামায়াত-শিবির নেই সেই দেশের লোকেরা সব জাহান্নামে চলে যাবে না। আবার জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করে উল্লসিত হওয়ারও কিছু দেখছি না।
.
আওয়ামীলীগ মরন কামড় দিচ্ছে।
কেননা, আশার দিক হচ্ছে, সময় ঘনিয়ে এসেছে।
জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল না করলে এরা আর আওয়ামীলীগ হয় কেমন করে! আইয়ুব খানও জামায়াত নিষিদ্ধ করেছিল। জামায়াত উৎখাত হয়ে গেছে?
.
আমার এগুলো নিয়ে মাথাব্যথা নেই। এদেশে জামায়াত-শিবির হচ্ছে মহান রবের বড় নিয়ামত।
যারা এই নিয়ামত চিনতে পারে না, বলতে হবে এদের নসীবে দূর্গতির সম্ভাবনাই বেশি।
.
জামায়াত-শিবিরকে আমরা একটা বাহন বা সিড়ি হিসেবে ব্যবহার করছি। এই সিড়িতে উঠলে পড়ে আপনাকে জান্নাতের সহজ সরল রাস্তা দেখাবে।
কুরআন-সুন্নাহ'র আলোকে ব্যক্তি, সমাজ, দেশ, রাষ্ট্র গঠন করার দিক নির্দেশনা দিবে।
ইমান, আমল, নৈতিকতা নিয়ে জান্নাতে যাওয়ার পথকে দেখিয়ে দিবে।
আপনি সেই অনুপাতে চলতে পারলে নসীবে জান্নাত জুটবে বলে আশা করা যায়।
.
সূতরাং নাম জামায়াতে ইসলামী বাদ হয়ে গেলেও কুরআন-সুন্নাহ'র আইন বাস্তবায়নের আন্দোলন, সংগ্রাম থেমে থাকবে না।
.
এদেশের আওয়ামীলীগ-বিএনপির ঘরগুলো থেকে "নারায়ে তাকবীর-আল্লাহু আকবার" ধ্বনি আকাশ -বাতাস মুখরিত করে উচ্চকিত হবে। বিচলিত হওয়ার কোন কারন নেই।
.
যার ঘরে একটি কুরআন আছে সেখান থেকেই একজন দ্বীণের সৈনিক তৈরি হবে। যারা নিজামী-সাঈদীর ফাসি চেয়েছে তাদের মধ্য থেকেই কেউ আবার দ্বীণের পতাকাকে উড্ডীন করবে বলে আমি আশা করি।
.
এই দিন আর বেশি দুরে নয়, যেইদিন এদেশেই ইসলামী শাসন ব্যবস্থা কায়েম হবে। সকল জুলুমের অবসান হবে। সত্য, ন্যায়, ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হবে।
সূতরাং জামায়াত নামক বাহন বা সিড়ি না থাকলেও জামায়াত এগিয়ে যাবে মহান রবের রশিকে আঁকড়ে ধরে।
.
এই দেশের পরতে পরতে, মাটি ও মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত এক একজন জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মী এক একটা আন্দোলন ও সংগ্রামের অগ্রসৈনিক।
.
মনে রাখবেন, জীবন বাচানো ফরজ নয়, বরং জীবন উৎসর্গ করে আল্লাহ'র দ্বীণ বিজয়ের আন্দোলন করা ফরজ।
সবার মনে রাখা উচিত, জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল হওয়ার মূল কারন,
"সকল ক্ষমতার উৎস আল্লাহ"--জামায়াতের সংবিধানে এই কথা লিপিবদ্ধ করার কারনে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে।
.
যেই কারনে সকল ইসলামী দলের নিবন্ধন বাতিল করার রাস্তাও তৈরি হলো।
এইবার পান চিবাইয়া ঠোট লাল করা হুজুররা বেশি করে জামায়াতের বদনামীটা আরো বাড়াইয়া দিন।
.
তবে আরো মনে রাখবেন, যেই দেশে জামায়াত-শিবির নেই সেই দেশের লোকেরা সব জাহান্নামে চলে যাবে না। আবার জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করে উল্লসিত হওয়ারও কিছু দেখছি না।
.
আওয়ামীলীগ মরন কামড় দিচ্ছে।
কেননা, আশার দিক হচ্ছে, সময় ঘনিয়ে এসেছে।
জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল না করলে এরা আর আওয়ামীলীগ হয় কেমন করে! আইয়ুব খানও জামায়াত নিষিদ্ধ করেছিল। জামায়াত উৎখাত হয়ে গেছে?
.
আমার এগুলো নিয়ে মাথাব্যথা নেই। এদেশে জামায়াত-শিবির হচ্ছে মহান রবের বড় নিয়ামত।
যারা এই নিয়ামত চিনতে পারে না, বলতে হবে এদের নসীবে দূর্গতির সম্ভাবনাই বেশি।
.
জামায়াত-শিবিরকে আমরা একটা বাহন বা সিড়ি হিসেবে ব্যবহার করছি। এই সিড়িতে উঠলে পড়ে আপনাকে জান্নাতের সহজ সরল রাস্তা দেখাবে।
কুরআন-সুন্নাহ'র আলোকে ব্যক্তি, সমাজ, দেশ, রাষ্ট্র গঠন করার দিক নির্দেশনা দিবে।
ইমান, আমল, নৈতিকতা নিয়ে জান্নাতে যাওয়ার পথকে দেখিয়ে দিবে।
আপনি সেই অনুপাতে চলতে পারলে নসীবে জান্নাত জুটবে বলে আশা করা যায়।
.
সূতরাং নাম জামায়াতে ইসলামী বাদ হয়ে গেলেও কুরআন-সুন্নাহ'র আইন বাস্তবায়নের আন্দোলন, সংগ্রাম থেমে থাকবে না।
.
এদেশের আওয়ামীলীগ-বিএনপির ঘরগুলো থেকে "নারায়ে তাকবীর-আল্লাহু আকবার" ধ্বনি আকাশ -বাতাস মুখরিত করে উচ্চকিত হবে। বিচলিত হওয়ার কোন কারন নেই।
.
যার ঘরে একটি কুরআন আছে সেখান থেকেই একজন দ্বীণের সৈনিক তৈরি হবে। যারা নিজামী-সাঈদীর ফাসি চেয়েছে তাদের মধ্য থেকেই কেউ আবার দ্বীণের পতাকাকে উড্ডীন করবে বলে আমি আশা করি।
.
এই দিন আর বেশি দুরে নয়, যেইদিন এদেশেই ইসলামী শাসন ব্যবস্থা কায়েম হবে। সকল জুলুমের অবসান হবে। সত্য, ন্যায়, ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হবে।
সূতরাং জামায়াত নামক বাহন বা সিড়ি না থাকলেও জামায়াত এগিয়ে যাবে মহান রবের রশিকে আঁকড়ে ধরে।
.
এই দেশের পরতে পরতে, মাটি ও মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত এক একজন জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মী এক একটা আন্দোলন ও সংগ্রামের অগ্রসৈনিক।
.
মনে রাখবেন, জীবন বাচানো ফরজ নয়, বরং জীবন উৎসর্গ করে আল্লাহ'র দ্বীণ বিজয়ের আন্দোলন করা ফরজ।
No comments